Posts

কবিতাঃ কালুরঘাটের তাকবির

  "কালুরঘাটের তাকবির"                   আবু সিদ্দিক (১৪ অক্টোবর ২২) ইশরাকের তকবির ধ্বনি গর্জে উঠে ঢাকা শহর, হুম্মাম কাদের ঘোষণা দিলো সমস্বরে আল্লাহ আকবার। যে তাকবিরে বদর উহুদ  জয় হলো-রে আন্দালুস, ইন্দো থেকে ইরিত্রিয়া আজ সে সুর বাজে বঙ্গভূম। বখতিয়ারের ঘোড়ার আওয়াজ  মোহাম্মদ ঘুরীর ঐ নিশান, সুর তুলেছে পলোগ্রাউন্ডে হুম্মাম কাদেরের সেই শ্লোগান।  যে তকবিরের প্রতিধ্বনি তীরের মতো বিঁধছে আজ, চুরমার হবে জুলুমশাহী জাগলে আবার ঈমানদার। সিপাহী জনতার বিপ্লবীরা কোথায় তোমরা! ফের উঠো!! ডাক দিয়েছে হুম্মাম কাদের দেশপ্রেমিক সব ঘুম ভাঙ্গো!   বাঁচতে যদি চাওরে তবে সাথে নিয়ে দেশ-মাতৃকার, লড়তে হবে বীরের মতো গর্জে উঠো আর-একবার। ওসমানীকে জাগিয়ে তোল! মেজর জলিল খবর দাও, কালুরঘাটের তাকবির ধ্বনি সবার কাছে পৌঁছে দাও। জিয়ার ভুমিকায় হুম্মাম কাদের!!  বাকি তোমরা কে কোথায়? নুর-ইশরাক ঢাকায় আছে জ্বলে উঠো ভাই, সব যায়গায়।

চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী

  চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন একদিনে বাস্তবায়ন হয়নি। এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে কিছু ক্ষণজন্মা মানুষের স্বপ্ন সাধনা, ত্যাগ-তিতিক্ষা চট্টগ্রামবাসীর জন্য এটা ছিল ‘চাওয়া পাওয়া সোনার হরিণ’। ষাট দশকে চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বহু পূর্বে ত্রিশ, চল্লিশ দশকে প্রথম একজন কৃতিপুরুষ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আওয়াজ তুলেছিলেন। আজ তাঁকে আমরা ভুলতে বসেছি, বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই তা জানে না। বার আউলিয়ার আবাদ ভূমি ইসলামের প্রবেশদ্বার বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মূলত সর্বপ্রথম একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা চট্টল গৌরব মরহুম মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী। চট্টগ্রামের দক্ষিণ মহকুমার কর্ণফুলীর তীরবর্তী দেয়াঙ পাহাড়ে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ছিল তার আজীবন। ১৯১৫ সালে তিনি সেই লক্ষ্যে সরকার থেকে ৬০০ বিঘা জমি ও ওই এলাকার জমিদার আলী খান থেকে ৫০০ কানি ভূমি রেজিস্ট্রিমূলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গ্রহণ করেছিলেন। বিখ্যাত নেতা ও শিক্ষাবিদ শেরেহিন্দ মাওলানা শওকত আলী ১...

কবিতাঃ ওহে রাজা,ওহে রানী

  ওহে রাজা,ওহে রানী  লেখকঃ আবু সিদ্দিক কোথায় যাও সময় গুনি বলোনা! একবার তাই? ডাক এসেছে প্রভুদেশে যেতে হবে সবার সাথে কথা বলার সময় তো নাই!!  সাত সাগর তের নদী এত দুরে গিয়ে যদি ভাসায় দুচোখ বর্ষায়? ওরে প্রজা ব্যংঙ্গের ছাতা! গুছিয়ে যাবে মনের ব্যাথা বুঝো যদি প্রভুরা কি চায়!! প্রভুদের সেনশন প্রজাদের টেনশন আমার কি'বা আসে যায়!! শুনোপ্রজা পিপীলিকা!! প্রভুদের মতলবে বাগদাদ আফগান, ধুলোয় মিশে ছারখার  নরকে ইউক্রেন। সিরিয়ার স্বর্গসুখ লিবিয়ার শান্তি, ইতিহাস হয়ে গেলো প্রভুদের আর্জি।

কবিতাঃ প্রাণ যায় যাক, চতর ঢাকো

Image
  "প্রাণ যায় যাক, চতর ঢাকো"          আবু সিদ্দিক, ১৪-সেপ্টে-২৩ কতিপয় উগ্রবাদী, করছে তাড়া এক যুবাকে! দৌড়ছে তো প্রাণটা হাতে, দোষ তো নিশ্চয় আছে তাতে! কি দোষ আছে শুনি আগ্গে! শুনো তবে করছে কি সে! সকাল দুপুর পাঁচ বেলাতে মাইকে কেন আজান ফুকে? উগ্রবাদীর আক্রমণে মুসলিম জুবা প্রাণের ভয়ে দৌড়ছে যখন জান বাঁচাতে কিছু হুজুর রাস্তার ধারে তা-ই না দেখে হাসছে জোরে। বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করে প্রাণ বাঁচানোর দৌড়ানীতে হঠাৎ লুঙ্গি গেলো উঠে চতর ভেঙ্গে হাঁটুর পরে! অ'মনি হুজুর চেঁচিয়ে ওঠে স্ব-জোরে হাকিয়ে গলা বল্লো ভাই! শুনো তোমরা! বড় নচ্ছার মুসলিম ব্যাটা! হাটুর উপর লুঙ্গি তুলে শরিয়ত লঙ্ঘন করে ভাঙলো ফরজ সতর ঢাকা ঈমান হারা মুসলিম ব্যেটা। হাঁটুর পরে লুঙ্গি উঠায় ফাসেক হয়ে গেলো রে সে, শান্তি তাকে পেতে হবে যা বলেছে শরিয়তে। গল্পের কাহিনীটা ঠিক এরকমঃ এক মুসলিম যুবককে তাড়া করছে কতিপয় উগ্রবাদী। কেন সে আযান দিল- এই অপরাধে।  দূর থেকে কিছু হুজুর মজা করে তা দেখছে।  বেচারা মুসলিম ছিল লুঙ্গি পরা। বাঁচার চেষ্টায় দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ তার লুঙ্গি উঠে যায় হাঁটুর উপরে। এতক্ষণ চুপ থেকে দাঁড়িয়ে মজা দে...

কবিতাঃ হুজুর তুমি! সুযোগ সন্ধানী

  হুজুর তুমি! সুযোগ সন্ধানী                    লেখকঃ আবু সিদ্দিক ঠিক যেন মাছরাঙা, আওলা বাউলা ফতোয়া দিয়ে করছো নিজকে চাঙ্গা।  সুযোগ বুঝে ফতোয়া ছাড়ো  করতে নিজকে জাহির!! চামচামি আর পদলেহী করছো ধান্ধা ফিকির। ফতোয়া মারার আগে তুমি বুঝ সমাজ নীতি, ধর্ম কভু চলে না-কো বিনা সমাজ রীতি। আইন আদালত রাষ্ট্র আছে দিবেন সমাধান, তুমি কেন ফতোয়া দিয়ে করছো ভারি কান? জানাজা আর মুর্দা নিয়ে চায়নি তো কেউ ফতোয়া! গায়ে পড়ে আগ বাড়িয়ে তুলছো ধর্মের ধোঁয়া।  রাজ দরবারের মন গলাতে করছো ধান্দা ফিকির, নেতা নেত্রী দল পূজারী করছো প্রণাম জিকির। বিনিময়ে পকেট ভারি হাতে ভাবতের প্লেট, রাজ দরবারের ছাফাই গেয়ে পাচ্ছো নগদ ক্রেষ্ট।  দুনিয়া লোভে ডুবে আছো বলছোনা হক কথা,  সুযোগ বুঝে ফতোয়া ঝাড়ো বে-দরকার অযথা। ধর্ম কর্ম সবাই বুঝে শিক্ষিত সমাজ যারা, শান্ত সমাজ উস্কে দিতে করো না পায়তারা।

অকাল মৃত্যু’ বলে কিছু নেই

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের বলে দিয়েছেন ‘"প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে"’ (সূরা আরাফ-৩৪)।  অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ ফরমান, "‘যদি আল্লাহ লোকদেরকে তাদের অন্যায় ও খারাপ কাজের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভূপৃষ্ঠে চলমান কোনো কিছুকেই ছাড় পেতো না। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুত সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন, সময় দেন, সুযোগ দেন। অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহূর্তও বিলম্বিত কিংবা ত্বরাম্বিত করতে পারবে না"’ (সূরা নাহল-৬১)। অথচ আমাদের সমাজে ব্যবহৃত প্রসিদ্ধ একটি শব্দ "‘অকাল মৃত্যু"’। গ্রামে-শহরের টাঙানো প্রায় ব্যানারে দেখা যায় অমুকের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নাউজুবিল্লাহ! অকাল মৃত্যু বলতে বোঝায় কালের আগে মৃত্যুবরণ করা। মৃত্যুবরণ করার কথা ছিল অমুক তারিখ, এর আগেই মৃত্যুবরণ করলে বলা হবে অকাল মৃত্যু। অকাল মৃত্যু শব্দ থেকে বোঝা যায়, মৃত্যুবরণ করার কথা ছিল অমুক তারিখ, আল্লাহ তায়ালা এর আগেই দুনিয়া থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন। নাউজুবিল্লাহ!  এতে আল্লাহর ...

ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা চালু থাকার শঙ্কা

  বর্তমান জাতীয় সংসদ পুরনো পীড়নবাদী রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সাক্ষী হয়ে আছে। এ সংসদে গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে আছেন গুম হয়ে যাওয়া রাজনীতিকের স্ত্রী। এ সংসদে নির্বাচিত প্রায় সব সদস্য হাসিনার বিচারব্যবস্থার ভয়াবহ শিকার। অন্য দিকে আছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়ার নগদ উদাহরণ। পুরনো ব্যবস্থা যদি বহাল রাখা হয়, তাহলে অচিরে শেখ হাসিনার শাসন দেশে ফিরে আসবে।